গত কয়েক বছরে বাংলাদেশের নারী ক্রিকেট মাঠের ভেতরে এবং বাইরে দ্রুত উন্নতি করেছে। highest paid women cricketers of bangladesh তালিকায় থাকা খেলোয়াড়দের আর্থিক অগ্রগতিও এই পরিবর্তনের অন্যতম বড় উদাহরণ। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড ধীরে ধীরে নারী ক্রিকেট কাঠামোকে আরও পেশাদার পরিবেশে রূপান্তর করেছে, যেখানে নারী ক্রিকেটারদের বেতন, চুক্তি, ভাতা এবং টুর্নামেন্টের সুযোগ-সুবিধা উন্নত করা হয়েছে।
২০২৪ সালে বিসিবি কেন্দ্রীয় চুক্তিভুক্ত খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিক কাঠামো সংশোধন করলে একটি বড় পদক্ষেপ নেওয়া হয়। ২০২৫ সালের জুলাই মাসে সব ধরনের চুক্তিতে প্রায় ৩৫% বেতন বৃদ্ধি কার্যকর হওয়ার পর আর্থিক উন্নতি আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। এর ফলে গ্রেড ‘এ’ ক্যাটাগরির শীর্ষ খেলোয়াড়রা এখন প্রতি মাসে ১,৬০,০০০ টাকা আয় করেন, আর অধিনায়ক ও সহ-অধিনায়করা অতিরিক্ত নেতৃত্ব ভাতা পান।
নির্ধারিত বেতনের বাইরে খেলোয়াড়রা ম্যাচ ফি, পারফরম্যান্স বোনাস, আন্তর্জাতিক সফর এবং ডব্লিউবিপিএলের মতো ফ্র্যাঞ্চাইজি প্রতিযোগিতা থেকেও আয় করেন। এসব উন্নতির কারণে বাংলাদেশে নারী ক্রিকেট আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় অনেক বেশি স্থিতিশীল পেশায় পরিণত হয়েছে।
নিচে ২০২৫ সালে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক পাওয়া ১০ নারী ক্রিকেটারের পূর্ণ র্যাঙ্কিং দেওয়া হলো। এই তালিকা তাদের কেন্দ্রীয় চুক্তির ক্যাটাগরি, নেতৃত্বের ভূমিকা, পারফরম্যান্স এবং জাতীয় দলের বাণিজ্যিক মূল্য বিবেচনা করে তৈরি করা হয়েছে। এই তালিকাটি highest paid women cricketers of bangladesh বিষয়টি বুঝতে গুরুত্বপূর্ণ।
Table of Contents
List of 10 Highest Paid Women Cricketers of Bangladesh
10. সোবহানা মোস্তারি

সোবহানা মোস্তারি বাংলাদেশের নারী ক্রিকেটের অন্যতম নির্ভরযোগ্য মিডল-অর্ডার ব্যাটার হিসেবে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন। যদিও বর্তমানে তিনি গ্রেড C চুক্তির অন্তর্ভুক্ত, তবুও ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তার বাড়তে থাকা প্রভাব তাকে এই ক্যাটাগরির অন্যতম বেশি পারিশ্রমিক পাওয়া খেলোয়াড়ে পরিণত করেছে। highest paid women cricketers of bangladesh তালিকায় তার অবস্থানও ধীরে ধীরে শক্ত হচ্ছে।
২০২৫ সালের সংশোধিত বেতন কাঠামোর পর সোবহানা তার কেন্দ্রীয় চুক্তির মাধ্যমে প্রতি মাসে প্রায় ৯৫,০০০ টাকা আয় করেন। তবে তার আয়ের সম্ভাবনা নির্ধারিত বেতনের চেয়েও বেশি, কারণ তিনি বাংলাদেশ উইমেন্স প্রিমিয়ার লিগে উচ্চমূল্যের আইকন প্লেয়ার চুক্তির অন্যতম দাবিদার হিসেবে উঠে এসেছেন।
ঘরোয়া প্রতিযোগিতায় ধারাবাহিকতা এবং চাপের সময় ইনিংস সামাল দেওয়ার ক্ষমতা তাকে জাতীয় দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে ধরে রেখেছে। অনেক বিশ্লেষক মনে করেন, তার পারফরম্যান্স উন্নতি অব্যাহত থাকলে তিনি শিগগিরই আরও উচ্চ বেতনের ক্যাটাগরিতে উন্নীত হতে পারেন।
| ভূমিকা | মিডল-অর্ডার ব্যাটার |
| চুক্তির গ্রেড | গ্রেড C |
| আনুমানিক মাসিক বেতন | ৯৫,০০০ টাকা |
| অতিরিক্ত সুযোগ | ডব্লিউবিপিএল আইকন প্লেয়ার দাবিদার |
| ব্যাটিং স্টাইল | ডানহাতি ব্যাটার |
ALSO READ: Top 10 Most Followed Bangladesh Cricketers Across Social Media
9. শামীমা সুলতানা

শামীমা সুলতানা বহু বছর ধরে বাংলাদেশের নারী ক্রিকেটে নির্ভরযোগ্য উইকেটকিপার-ব্যাটার হিসেবে সেবা দিয়ে আসছেন। আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারজুড়ে তিনি উইকেটের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার পাশাপাশি ব্যাটিং লাইনআপেও কার্যকর রান যোগ করেছেন।
২০২৫ সালের চুক্তি কাঠামো অনুযায়ী শামীমা গ্রেড B ক্রিকেটার হিসেবে প্রতি মাসে ১,৩৫,০০০ টাকা পান। তার অভিজ্ঞতা তার সবচেয়ে বড় শক্তিগুলোর একটি, বিশেষ করে চাপের পরিস্থিতিতে যেখানে শান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।
ক্যারিয়ারের বিভিন্ন সময়ে তিনি অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতির সঙ্গে উইকেটকিপিং পজিশনের জন্য সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন, যা তার মান ও ধারাবাহিকতার প্রমাণ। তার বহুমুখিতা এবং দীর্ঘমেয়াদি অবদান তাকে বাংলাদেশের নারী ক্রিকেটে গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে ধরে রেখেছে। highest paid women cricketers of bangladesh তালিকায়ও তিনি অন্যতম পরিচিত নাম।
| ভূমিকা | উইকেটকিপার-ব্যাটার |
| চুক্তির গ্রেড | গ্রেড B |
| মাসিক বেতন | ১,৩৫,০০০ টাকা |
| অভিজ্ঞতার স্তর | দীর্ঘদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার |
| বিশেষত্ব | ব্যাকআপ উইকেটকিপার ও মিডল-অর্ডার রান |
8. মারুফা আক্তার

মারুফা আক্তার দ্রুত বাংলাদেশের নারী ক্রিকেটের অন্যতম রোমাঞ্চকর পেস বোলারে পরিণত হয়েছেন। স্পিননির্ভর জাতীয় দলে তার গতি ও মুভমেন্ট তৈরি করার ক্ষমতা বাংলাদেশকে সম্পূর্ণ ভিন্ন ধরনের অস্ত্র দিয়েছে।
২০২৪–২৫ সময়কালের পারফরম্যান্স তাকে গ্রেড C থেকে গ্রেড B-তে উন্নীত করেছে, যার ফলে তার বেতন উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। সংশোধিত বেতন কাঠামো অনুযায়ী তিনি এখন প্রতি মাসে প্রায় ১,৩৫,০০০ টাকা পান।
মারুফার সবচেয়ে বড় শক্তি হলো নতুন বলে ব্যাটারদের বিপদে ফেলা। বাংলাদেশ ক্রিকেট দীর্ঘদিন ধরে নির্ভরযোগ্য ফাস্ট বোলারের খোঁজ করেছে, আর মারুফার উন্নতি তাকে সিস্টেমের অন্যতম মূল্যবান তরুণ খেলোয়াড়ে পরিণত করেছে।
যদি তিনি বর্তমান উন্নতির ধারা বজায় রাখতে পারেন, তাহলে ভবিষ্যতে এলিট গ্রেড A ক্যাটাগরিতেও উঠে যেতে পারেন। highest paid women cricketers of bangladesh আলোচনায় তার নাম দ্রুত জনপ্রিয় হচ্ছে।
| বোলিং স্টাইল | ডানহাতি মিডিয়াম-ফাস্ট |
| চুক্তির গ্রেড | গ্রেড B |
| মাসিক বেতন | ১,৩৫,০০০ টাকা |
| উন্নতি | গ্রেড C থেকে B |
| প্রধান শক্তি | পেস বোলিং অপশন |
7. মুর্শিদা খাতুন

মুর্শিদা খাতুন ধীরে ধীরে বাংলাদেশের নারী ক্রিকেটে নির্ভরযোগ্য ওপেনিং ব্যাটার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। ২০২৪–২৫ চুক্তি চক্রে গ্রেড C থেকে গ্রেড B-তে তার উন্নতি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ব্যাট হাতে তার অগ্রগতির প্রতিফলন।
একজন ওপেনার হিসেবে মুর্শিদার দায়িত্ব হলো শুরুতে স্থিতিশীলতা তৈরি করা এবং মিডল অর্ডারের জন্য ভালো ভিত্তি গড়ে দেওয়া। তার ধৈর্যশীল ব্যাটিং এবং ধারাবাহিকতা নির্বাচকদের আস্থা বাড়িয়েছে।
২০২৫ সালের বেতন বৃদ্ধি তার মাসিক আয় ১,৩৫,০০০ টাকায় উন্নীত করেছে, যা তাকে জাতীয় দলের বেশি পারিশ্রমিক পাওয়া ক্রিকেটারদের মধ্যে স্থান দিয়েছে। বাংলাদেশের ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি পরিকল্পনায় ওপেনিংয়ে তার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। highest paid women cricketers of bangladesh তালিকায়ও তিনি উল্লেখযোগ্য অবস্থানে রয়েছেন।
| ভূমিকা | ওপেনিং ব্যাটার |
| চুক্তির গ্রেড | গ্রেড B |
| মাসিক বেতন | ১,৩৫,০০০ টাকা |
| উন্নতি | গ্রেড C থেকে B |
| ফরম্যাট | ODI ও T20I |
6. শারমিন আক্তার সুপ্তা

শারমিন আক্তার সুপ্তা বাংলাদেশের নারী ক্রিকেটের দ্রুত উত্থান হওয়া নামগুলোর একটি। সাম্প্রতিক আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে তার দুর্দান্ত ব্যাটিং তাকে গ্রেড C থেকে গ্রেড B-তে উন্নীত করেছে।
এ পর্যন্ত তার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় মুহূর্ত আসে পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত ২০২৫ আইসিসি নারী ক্রিকেট বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে। তিনি ৬৬.৫০ গড়ে ২৬৬ রান করে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক ছিলেন।
অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি বিশেষ করে তিন নম্বরে ব্যাটিংয়ে মানিয়ে নেওয়ার জন্য তার প্রশংসা করেন। আত্মবিশ্বাস, ধৈর্য এবং ইনিংস গড়ার ক্ষমতা তাকে বাংলাদেশের অন্যতম সম্ভাবনাময় ব্যাটারে পরিণত করেছে।
তার প্রোমোশনের সঙ্গে যুক্ত বেতন বৃদ্ধির ফলে এখন তিনি প্রতি মাসে ১,৩৫,০০০ টাকা আয় করেন। highest paid women cricketers of bangladesh তালিকায়ও তার অবস্থান শক্তিশালী হচ্ছে।
| ভূমিকা | টপ-অর্ডার ব্যাটার |
| চুক্তির গ্রেড | গ্রেড B |
| মাসিক বেতন | ১,৩৫,০০০ টাকা |
| কোয়ালিফায়ার ২০২৫ রান | ২৬৬ |
| টুর্নামেন্ট গড় | ৬৬.৫০ |
5. ফাহিমা খাতুন

ফাহিমা খাতুন বাংলাদেশের সাদা বলের ক্রিকেটে অন্যতম নির্ভরযোগ্য স্পিনার। নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলার জন্য পরিচিত এই বোলার দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন।
অভিজ্ঞ এই স্পিনার বর্তমানে গ্রেড B ক্যাটাগরিতে প্রতি মাসে ১,৩৫,০০০ টাকা পান। ধীরগতির উপমহাদেশীয় উইকেটে কার্যকর বোলিং করার ক্ষমতা তাকে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি উভয় ফরম্যাটেই নির্ভরযোগ্য অপশন বানিয়েছে।
ফাহিমার বোলিং মূলত নিখুঁত লাইন-লেন্থ ও বৈচিত্র্যের ওপর নির্ভরশীল। তার অভিজ্ঞতা ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে দলকে কৌশলগত সুবিধাও দেয়।
বাংলাদেশের স্পিননির্ভর দলে কঠিন প্রতিযোগিতা থাকা সত্ত্বেও ফাহিমা দেশের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক পাওয়া নারী ক্রিকেটারদের মধ্যে নিজের জায়গা ধরে রেখেছেন। highest paid women cricketers of bangladesh বিষয়েও তিনি গুরুত্বপূর্ণ নাম।
| বোলিং স্টাইল | বাঁহাতি স্পিন |
| চুক্তির গ্রেড | গ্রেড B |
| মাসিক বেতন | ১,৩৫,০০০ টাকা |
| প্রধান ফরম্যাট | ODI ও T20I |
| মূল শক্তি | নিখুঁত স্পিন বোলিং |
4. রিতু মনি

রিতু মনি বাংলাদেশের নারী ক্রিকেটে এলিট উপার্জনকারীদের মধ্যে অন্যতম, কারণ তিনি গ্রেড A কেন্দ্রীয় চুক্তির অন্তর্ভুক্ত। অভিজ্ঞ এই অলরাউন্ডার সর্বশেষ বেতন কাঠামো অনুযায়ী প্রতি মাসে ১,৬০,০০০ টাকা পান।
তার অফ-স্পিন বোলিং বিশেষ করে মধ্য ওভারে বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ, যেখানে রান নিয়ন্ত্রণ করা অত্যন্ত জরুরি হয়ে ওঠে। প্রয়োজনে তিনি ব্যাট হাতেও কার্যকর অবদান রাখেন।
আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দীর্ঘমেয়াদি ধারাবাহিকতা তাকে শীর্ষ বেতন কাঠামোতে ধরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। স্পিননির্ভর কৌশলের কারণে তার মূল্য আরও বেড়েছে।
চাপ ধরে রাখা এবং অলরাউন্ডার হিসেবে ভারসাম্য দেওয়ার ক্ষমতা তাকে দলের মূল সদস্য হিসেবে ধরে রেখেছে। highest paid women cricketers of bangladesh তালিকায় তার অবস্থানও শক্তিশালী।
| ভূমিকা | বোলিং অলরাউন্ডার |
| বোলিং স্টাইল | ডানহাতি অফ-ব্রেক |
| চুক্তির গ্রেড | গ্রেড A |
| মাসিক বেতন | ১,৬০,০০০ টাকা |
| বিশেষত্ব | মিডল ওভারে নিয়ন্ত্রণ |
3. নাহিদা আক্তার

নাহিদা আক্তার বাংলাদেশের নারী ক্রিকেটের প্রধান স্পিনার এবং দলের অন্যতম ম্যাচজয়ী খেলোয়াড় হিসেবে উঠে এসেছেন। তার বাঁহাতি অর্থোডক্স বোলিং নিয়মিতভাবে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টিতে উইকেট এনে দেয়।
গ্রেড A চুক্তিভুক্ত খেলোয়াড় হিসেবে নাহিদা বোনাস ও ম্যাচ ফি বাদে প্রতি মাসে ১,৬০,০০০ টাকা আয় করেন। ২০২৫ নারী ক্রিকেট বিশ্বকাপ বাছাইপর্বসহ বিভিন্ন বড় টুর্নামেন্টে তার পারফরম্যান্স বাংলাদেশের বোলিং পরিকল্পনায় তার গুরুত্ব আরও বাড়িয়েছে।
অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি একাধিকবার নাহিদাকে দলের প্রধান উইকেট শিকারি হিসেবে উল্লেখ করেছেন। বোলিংয়ের পাশাপাশি তিনি নিচের দিকে ব্যাট হাতেও কার্যকর রান করতে পারেন।
সব ফরম্যাটে ধারাবাহিকতা এবং স্পিন সহায়ক উইকেটে আধিপত্য তাকে বাংলাদেশের নারী ক্রিকেটের শীর্ষ উপার্জনকারীদের মধ্যে জায়গা দিয়েছে। highest paid women cricketers of bangladesh তালিকায় তিনি অন্যতম বড় নাম।
| বোলিং স্টাইল | বাঁহাতি অর্থোডক্স |
| ভূমিকা | বোলিং অলরাউন্ডার |
| চুক্তির গ্রেড | গ্রেড A |
| মাসিক বেতন | ১,৬০,০০০ টাকা |
| বিশেষত্ব | প্রধান উইকেট শিকারি |
2. ফারজানা হক পিংকি

ফারজানা হক পিংকি বাংলাদেশের নারী ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সফল ব্যাটার। সব ফরম্যাটে ধারাবাহিক রান তাকে জাতীয় দলের অন্যতম স্তম্ভে পরিণত করেছে।
তিনি বর্তমানে গ্রেড A অনুযায়ী প্রতি মাসে ১,৬০,০০০ টাকা পান, যা তাকে দেশের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক পাওয়া নারী ক্রিকেটারদের একজন বানিয়েছে। বছরের পর বছর ফারজানা চাপের মুহূর্তে গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলে নিজের সুনাম গড়েছেন।
তার সবচেয়ে স্মরণীয় পারফরম্যান্সগুলোর একটি আসে ২০২২ নারী ক্রিকেট বিশ্বকাপে, যেখানে পাকিস্তানের বিপক্ষে তিনি ৭১ রান করে বাংলাদেশকে ঐতিহাসিক জয় এনে দেন।
তার ওপেনিং জুটি, নির্ভরযোগ্য টেকনিক এবং নেতৃত্বগুণ তাকে বহু বছর ধরে বাংলাদেশের ক্রিকেটের শীর্ষ বেতন তালিকার কাছাকাছি রেখেছে। highest paid women cricketers of bangladesh তালিকায়ও তিনি শীর্ষস্থানীয় ক্রিকেটারদের একজন।
| ভূমিকা | ওপেনিং ব্যাটার |
| চুক্তির গ্রেড | গ্রেড A |
| মাসিক বেতন | ১,৬০,০০০ টাকা |
| বড় রেকর্ড | বাংলাদেশ নারী দলের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক |
| স্মরণীয় ইনিংস | পাকিস্তানের বিপক্ষে ৭১ (WC 2022) |
1. নিগার সুলতানা জ্যোতি

নিগার সুলতানা জ্যোতি বর্তমানে বাংলাদেশের নারী ক্রিকেটের শীর্ষে রয়েছেন, অধিনায়ক হিসেবেও এবং দেশের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক পাওয়া নারী ক্রিকেটার হিসেবেও। তার আয়ের মধ্যে রয়েছে গ্রেড A অনুযায়ী ১,৬০,০০০ টাকা এবং অতিরিক্ত ৩০,০০০ টাকা অধিনায়ক ভাতা, যার ফলে বোনাস ও ম্যাচ ফি বাদে তার মাসিক নিশ্চিত আয় প্রায় ১,৯০,০০০ টাকায় পৌঁছায়। Bangladesh women cricket captain হিসেবে তার জনপ্রিয়তা ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
১৯৯৭ সালে রাজশাহীতে জন্ম নেওয়া জ্যোতি বাংলাদেশের নারী ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বে পরিণত হয়েছেন। তিনি প্রথম বাংলাদেশি নারী ক্রিকেটার হিসেবে ১০০টির বেশি টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন এবং প্রথম নারী হিসেবে ২,০০০-এর বেশি টি-টোয়েন্টি রানও করেছেন।
২০২৫ নারী ক্রিকেট বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে তার সাফল্য আরও বাড়ে, যেখানে তিনি নিজের প্রথম ওয়ানডে সেঞ্চুরি করেন এবং টুর্নামেন্টের শীর্ষ রান সংগ্রাহকদের মধ্যে থাকেন।
ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি তার উইকেটকিপিং দক্ষতা ও শান্ত নেতৃত্ব বাংলাদেশের নারী ক্রিকেট প্রকল্পের কেন্দ্রীয় অংশে পরিণত করেছে। ২০২৪ সালে উদ্বোধনী উইমেন্স বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগে প্রথম বাংলাদেশি নারী হিসেবে প্রথম-শ্রেণির ক্রিকেটে সেঞ্চুরি করে তিনি ইতিহাসও গড়েন।
এলিট পারফরম্যান্স, নেতৃত্ব এবং বাণিজ্যিক মূল্যের কারণে নিগার সুলতানা জ্যোতি ২০২৫ সালে highest paid women cricketers of bangladesh তালিকায় স্বচ্ছন্দে শীর্ষস্থান দখল করেছেন।
| ভূমিকা | উইকেটকিপার-ব্যাটার ও অধিনায়ক |
| চুক্তির গ্রেড | গ্রেড A + অধিনায়ক ভাতা |
| আনুমানিক মাসিক বেতন | ১,৯০,০০০+ টাকা |
| T20I রান | ২,০০০+ |
| খেলা T20I ম্যাচ | ১০০+ |
| বড় অর্জন | প্রথম বাংলাদেশি নারী যিনি ODI ও প্রথম-শ্রেণির ক্রিকেটে সেঞ্চুরি করেছেন |
FAQs
১. ২০২৫ সালে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক পাওয়া নারী ক্রিকেটার কে?
২০২৫ সালে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক পাওয়া নারী ক্রিকেটার হলেন নিগার সুলতানা জ্যোতি। জাতীয় দলের অধিনায়ক হিসেবে তিনি গ্রেড A চুক্তির বেতন এবং অধিনায়ক ভাতাসহ মাসিক প্রায় ১,৯০,০০০ টাকার বেশি আয় করেন।
২. বাংলাদেশ নারী ক্রিকেটাররা মাসে কত বেতন পান?
বাংলাদেশ নারী ক্রিকেটারদের মাসিক বেতন তাদের কেন্দ্রীয় চুক্তির গ্রেড অনুযায়ী নির্ধারিত হয়। ২০২৫ সালে গ্রেড A খেলোয়াড়রা প্রায় ১,৬০,০০০ টাকা, গ্রেড B খেলোয়াড়রা ১,৩৫,০০০ টাকা এবং গ্রেড C খেলোয়াড়রা প্রায় ৯৫,০০০ টাকা মাসিক বেতন পান।
৩. বাংলাদেশের নারী ক্রিকেটারদের বেতন কীভাবে নির্ধারণ করা হয়?
নারী ক্রিকেটারদের বেতন মূলত কেন্দ্রীয় চুক্তির গ্রেড, আন্তর্জাতিক পারফরম্যান্স, অভিজ্ঞতা, দলের নেতৃত্বের ভূমিকা এবং বাণিজ্যিক মূল্যের ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হয়। এছাড়াও ম্যাচ ফি ও পারফরম্যান্স বোনাস তাদের মোট আয়ের অংশ।
৪. কেন্দ্রীয় চুক্তির বাইরে কি বাংলাদেশ নারী ক্রিকেটাররা অতিরিক্ত আয় করেন?
হ্যাঁ, কেন্দ্রীয় চুক্তির বেতনের পাশাপাশি নারী ক্রিকেটাররা আন্তর্জাতিক ম্যাচ ফি, পারফরম্যান্স বোনাস, স্পনসরশিপ চুক্তি এবং ডব্লিউবিপিএল (Women’s Bangladesh Premier League)-এর মতো ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্ট থেকে অতিরিক্ত আয় করে থাকেন।
৫. ২০২৫ সালে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক পাওয়া নারী ক্রিকেটারদের তালিকায় কারা রয়েছেন?
২০২৫ সালে highest paid women cricketers of bangladesh তালিকায় রয়েছেন নিগার সুলতানা জ্যোতি, ফারজানা হক পিংকি, নাহিদা আক্তার, রিতু মনি, ফাহিমা খাতুন, শারমিন আক্তার সুপ্তা, মুর্শিদা খাতুন, মারুফা আক্তার, শামীমা সুলতানা এবং সোবহানা মোস্তারি।

